Thursday, July 28, 2011

ছাগলের অ্যাপল স্টোর দর্শন!

সম্প্রতি নিউ ইয়র্কের একটি অ্যাপল স্টোর পরিদর্শন করার সুযোগ মিলেছে এক ছাগলের। মার্কিন কমেডিয়ান মার্ক ম্যালকফ তার আইফোনটি মেরামত করানোর সময় সঙ্গে একটি ছাগল নিয়ে অ্যাপল স্টোরে হাজির হয়েছিলেন। খবর সিএনএন-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, অ্যাপল ভ্যারাইটি স্টোর দেখতে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছাগল নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বৈধ কিনা সেটি দেখতেই সঙ্গে ছাগল নিয়ে হাজির হয়েছিলেন তিনি। নিউ ইয়র্কের ‘অ্যাপল স্টোর চ্যালেঞ্জ’ নামে অ্যাপলের খুচরা দোকানগুলোর কাস্টমার সার্ভিসের লোকজন নাকি কোনোকিছুতেই বিরক্ত হন না! যে কেউ ইচ্ছামতো এখানে সময় কাটাতে পারে।

জানা গেছে, অ্যাপল স্টোরে যতোক্ষণ লাইনে দাঁড়াতে হয় ততোক্ষণ গ্রাহক যা খুশি তাই করতে পারেন। আর এ সুযোগটি নিয়ে ম্যালকফ তার ছাগলটিকে অ্যাপল স্টোর দেখিয়ে এনেছেন।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ম্যালকফ যতোক্ষণ না তার আইফোনটি সারা হয়েছে ততোক্ষণ ছাগলটিসহ অপেক্ষা করেছেন, এমনকি সেখানে বসে পিৎজাও খেয়েছেন। আর এ দৃশ্যগুলোর ভিডিও তিনি ইউটিউবে পোস্ট করেছেন।

এদিকে ম্যালকফ একটি টুইটে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি ইলেকট্রনিক দোকানে যতোদিন ছাগলের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা না হবে ততোদিন তিনি আর থামছেন না।

অবশ্য এ বিষয়ে অ্যাপল কর্তৃপক্ষ এখনও কোনো মন্তব্য করেনি।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Tuesday, July 26, 2011

দ্বীপের আদলে 'প্রমোদতরী'!

একটি দ্বীপে যে পরিবেশ থাকার কথা সে পরিবেশের পুরোটাই তুলে আনা হয়েছে নতুন বানানো এক প্রমোদতরীতে। ছোটো ঘর, আগ্নেয়গিরি, বন বা সমুদ্রতট সবই একটি প্রমোদতরীতেই স্থান করে নিয়েছে। সমুদ্রের বুকে ছোটোখাটো দ্বীপের মতোই এ নিয়ে ভেসে বেড়ানো যাবে। সম্প্রতি এমনই একটি প্রমোদতরী তৈরি করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রোকৌশলরা। খবর ডেইলি মেইল-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, প্রমোদতরীটি তৈরি করেছে যুক্তরাজ্যের ইয়ট নির্মতা প্রতিষ্ঠান ইয়ট আইল্যান্ড ডিজাইন।

জানা গেছে, ৯০ মিটার দৈর্ঘ্যরে এ প্রমোদতরীটির নাম দেয়া হয়েছে ‘ট্রপিক্যাল আইল্যান্ড প্যারাডাইস’ বা ‘গ্রীষ্মমণ্ডলীয় স্বর্গদ্বীপ’।

জানা গেছে, তরীতে একটি আগ্নেয়গিরিও রয়েছে। তবে এই আগ্নেয়গিরি থেকে লাভার বদলে বের হবে শীতল পানির ধারা। সে পানি গিয়ে জমবে সুইমিং পুলে। এতে আরো আছে পাঠাগার, সিনেমা হল, গেম খেলার জায়গা, শরীরচর্চার স্থান এবং ভিআইপি স্যুইট।

প্রমোদতরীটিতে বিনোদনের ব্যবস্থা ছাড়াও একান্তে সময় কাটানোর জন্য আলাদা স্থানও রাখা হয়েছে। ১০ জন অতিথি নিয়ে এ প্রমোদতরীটি ১৫ নট গতিতে সমুদ্রে ভেসে বেড়াতে সক্ষম।

জানা গেছে, এতে হেলিকপ্টার নামার একটি হেলিপ্যাডও রয়েছে, আরো রয়েছে বার, ব্যক্তিগত স্পা ব্যবস্থাসহ ব্যক্তিগত ব্যালকনিও!




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

এবারে বিকিনিতেই মোবাইল চার্জ!

সম্প্রতি গবেষকরা বিকিনি পরেই মোবাইল চার্জ করার একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। জানা গেছে, সমুদ্রতীরে বিকিনি পরে রৌদ্রস্নান করার সময় একইসঙ্গে হাতের মোবাইলটিও যাতে চার্জ করা যায় এমনই এ বিকিনি তৈরি শুরু হয়েছে নিউ ইয়র্ক শহরে। খবর গিজম্যাগ-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এই সোলার বিকিনি বা সৌর বিকিনির নকশা করেছেন নিউ ইয়র্কের নকশাবিদ অ্যান্ড্রু স্নাইডার।

নকশাবিদ স্নাইডার জানিয়েছেন, বিকিনি পরেই মোবাইল চার্জ দেয়া বা বা মিডিয়া প্লেয়ারে গান শোনার কাজটি করা যাবে। এ যন্ত্রগুলো চালাতে যে শক্তির প্রয়োজন হবে তা আসবে বিকিনি থেকেই।

জানা গেছে, সোলার বিকিনিতে ৪০টি পাতলা নমনীয় ফটোভোল্টিক কোষ জুড়ে দেয়া আছে। এ কোষগুলো বিদ্যুৎ পরিবাহী সুতার সঙ্গে যুক্ত। এসব সুতা একসঙ্গে একটি ইউএসবি পোর্টে যুক্ত হয়েছে। যে যন্ত্রাটি চালাতে হবে সেটি এ পোর্টে জুড়ে দিলেই শক্তি পাবে।

স্নাইডার আরো জানিয়েছেন, বিকিনিতে কোনো শক্তি জমা হয় না তাই এটি নিরাপদ। এ বিকিনি পরে পানিতেও নামা যায়।

বিকিনির দাম পড়বে ৫০০ থেকে ১ হাজার ডলার।

এদিকে গবেষক স্নাইডার জানিয়েছেন, মেয়েদের বিকিনি তৈরির পাশাপাশি ছেলেদের জন্য ‘আইড্রিঙ্ক’ নামে সৌরশক্তি ব্যবহার উপযোগী শর্টস তৈরির কাজও তিনি শুরু করবেন।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Saturday, July 23, 2011

গত দশকের ব্যর্থ ১০ প্রযুক্তি

প্রযুক্তিগুলো বাজারে আসার আগেই এমন শোরগোল পড়েছিলো যে সবার ধারণা ছিলো এটিই হয়তো হতে যাচ্ছে চলতি দশকের সেরা প্রযুক্তি। বলা হয়, এসব প্রযুক্তিগুলো যখন বাজারে আসে তখন এগুলো বাজারে সমসাময়িক পণ্যের চেয়ে এগিয়েই ছিলো। তবে, জনপ্রিয়তার বিচারে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয় এগুলো। এসব প্রযুক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে মাইক্রোসফটের ভিস্তা থেকে শুরু করে বর্তমানে জনপ্রিয় ইউটিউবের নামও।

মাইক্রোসফট ভিস্তা
৩০ জানুয়ারি ২০০৭-এ মাইক্রোসফট ভিস্তা বিশ্ববাজারে আসে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ টেক জায়ান্টের সর্বাধুনিক পণ্য ছিলো এটি। পিসি অপারেটিং সিস্টেমের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য এটি তৈরি করা হয়। কিন্তু যে লক্ষ্য নিয়ে এটি তৈরি করা হয়েছিলো সেটিতেই ছিলো সমস্যা। এর নিরাপত্তা দিকগুলো উইন্ডোজের আগের সংস্করণের চাইতে খুব একটা ভালো ছিল না। এতে পুরোনো কম্পিউটারে ব্যবহৃত এক্সপি অপারেটিং সিস্টেম আপগ্রেড করার সুযোগ ছিলো না। বিশ্লেষকরা মত দেন, এটি কম্পিউটারের গতিও কমিয়ে দেয়। ভিস্তা বাজারে ছাড়ার সময় প্রযুক্তি সাইটগুলো এর ইতিবাচক রিভিউ লিখে পাতা ভরে ফেলেছিলো। কিন্তু জনপ্রিয়তার বিচারে এটি কখনও ওপরে উঠে আসতে পারেনি। তাই প্রযুক্তিপণ্য হিসেবে ভিস্তাকেই গত একদশকের ‘লুজার’ তালিকায় প্রথম স্থান নিতে হয়েছে।

গেটওয়ে
কোম্পানি হিসেবে গেটওয়ে আত্মপ্রকাশ করে ১৯৮৫ সালে। যুক্তরাষ্ট্রের সফল পিসি নির্মাতা কোম্পানিগুলোর অন্যতম এটি। ১৯৯০ এর দিকে গেটওয়ে কম্পিউটার বিক্রির পরিমাণ তিনগুণ বেড়ে যায়। ২০০৪ এ এর অবস্থান দাঁড়ায় তিন নম্বরে। সেসময় খুচরা ব্যবসার ২৫ ভাগ কোম্পানিটির দখলে চলে আসে। কিন্তু ২০০৭-এ প্রতিষ্ঠানটির এমনই দুর্দশা হয় যে, এটি মাত্র ৭১ কোটি ডলারে বিক্রি হয়ে যায়। আর ক্রেতা হিসেবে জোটে এসার। আর হঠাৎ ধ্বস এবং ব্যর্থতার কারণ হিসেবে বলা হয়, গেটওয়ে ল্যাপটপ ব্যবসায় ঢুকতে চায়নি। কারণ তারা ভেবেছিলো তাদের কম্পিউটার ব্যবসা রমরমা. ল্যাপটপে যাওয়ার দরকারটা কি! দশকের প্রথমভাগে ডেক্সটপ ব্যবসায় সফল হলেও স্থানান্তরযোগ্য কম্পিউটার তৈরির দৌড়ে অন্য প্রতিষ্ঠানের চেয়ে পিছিয়ে পড়ে গেটওয়ে। এ ছাড়াও এন্টারপ্রাইজ ব্যবসার দিকে ঝুঁকতেও ধীরগতির পরিচয় দেয় গেটওয়ে। এদিকে ডেল দাঁড়িয়ে যায়। এক সময় কম্পিউটারের বদলে ইলেকট্রনিক ভোগ্যপণ্য উৎপাদনের দিকে ঝুঁকে পড়ে গেটওয়ে। কিন্তু এই ব্যবসায় লাভের পরিমাণ কম হওয়ায় এটি কোম্পানির মূলধনের ওপর চাপ ফেলে। ফলাফল হিসেবে ‘লুজার’ তালিকায় নাম উঠে যায় গেটওয়ের।

এইচডি ডিভিডি
এখন পর্যন্ত উৎপাদিত হাই ডেফিনেশন (এইচডি) ডিস্ক দু’টির একটি হলো- এইচডি ডিভিডি, অন্যটি ব্লুরে। ২০০২ সালে এইচডি ডিভিডি তৈরি হয় এবং তোশিবা ও এনইসির অর্থায়নে ২০০৬ সালে এটি বাজারে আসে। সে সময় এর বিক্রি ব্লুরের চেয়ে বেশি ছিল। তবে, এইচডি ডিভিডি ব্যবসায় লাভের মুখ দেখেনি তোশিবা। বিশ্লেষকদের মতে, ২০০৮ সালে ত্যাগ করার আগে পর্যন্ত তোশিবা মোট একশো কোটি টাকার মতো গচ্চা দেয়। সনির ব্লুরের কাছে এইচডি ডিভিডির এই হারের পেছনে বেশ কিছু কারণ ছিলো। বড় ফিল্ম স্টুডিওগুলোকে সিনেমার হাই ডেফিনেশন সংস্করণ ব্লুরে ডিস্কে বাজারে ছাড়তে রাজি করাতে পেরেছিল সনি। সনি নিজেই অন্যতম বড় স্টুডিওর মালিক হবার কারণেই সনির পক্ষে এটি সহজ হয়। অন্যদিকে এইচডি ডিভিডির হারের কারণ হিসেবে তোশিবারও রয়েছে নিজস্ব কিছু ব্যাখ্যা। ডিজিটাল ভিডিও ডাউনলোডকে এই হারের অন্যতম কারণ বলে মনে করে তারা।

ভন্টেজ
ভন্টেজ বা ভিজি ছিলো আসলে ভয়েস ওভার প্রটোকল বা ভিওআইপির আগের প্রজন্ম। বর্তমানে কেবল এবং স্কাইপির মতো কোম্পানিগুলোর লাভের মূল রহস্য হলো ভন্টেজের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেয়া। প্রাথমিকভাবে স্কাইপির কথাই বলা যেতে পারে- ২০০৮ সালের শেষ নাগাদ এর রেজিস্টার্ড ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় সাড়ে ৪০কোটিরও ওপরে । এ সময় এর আয় বেড়ে দাড়ায় ৫৫কোটি দশ লাখ ডলারে। পরের বছর স্কাইপির জন্মদাতা ইবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ভিওআইপি কোম্পানি হিসেবে আত্ম প্রকাশের। আর একই বছরের প্রথম ৩ মাসে মধ্যে ভন্টেজ তার ২২ কোটি ৪০ লাখ ডলারের বিনিয়োগ তুলতে ব্যর্থ হয়। আগের কোম্পানি হিসেবেই ২০০০ সালে ভন্টেজ ব্যবসা চালিয়ে যায়। এরপর অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই ভন্টেজ আগ্রাসীভাবে তার ডায়াল আপ ফোনের বিকল্প সেবা দিতে শুরু করে। ২০০৬ সালে কোম্পানিটি সফলভাবে আইপিও খাত থেকে ৫ কোটি ৩১০ লাখ ডলার আয় করতে সমর্থ হয়। এ সময় এর নূন্যতম সেবার দাম রাখা হয় মাত্র ৭ ডলার। আর ডিসেম্বর নাগাদ দুর্বল আয় আর প্রতিযোগী কেবল কোম্পানিগুলোর চাপে এর শেয়ারের মূল্য এক ডলারে এসে ঠেকে। পাশাপাশি কিছু মামলাও জোটে ভন্টেজের ভাগ্যে। যার ক্ষতিপূরণ হিসেবে গুণতে হয় কোটি কোটি ডলার। এরপর থেকে ভন্টেজ-এর ভাগ্যে লাভের মুখ দেখা আর হয়ে ওঠেনি। ফলে চরম ব্যর্থ হয় ভন্টেজ।

ইউটিউব
ভিডিও শেয়ারে বর্তমানে তুমুল জনপ্রিয় ইউটিউবকেও গত দশকের ব্যর্থ প্রযুক্তির তালিকায় ফেলা হয়। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইউটিউব। অনলাইন জরিপ প্রতিষ্ঠান কমস্কোরের মতে, ২০০৯ সালের মার্চ মাসে কেবল আমেরিকাতেই প্রায় ১০ কোটি লোক ইউটিউবে প্রায় ছয় হাজার কোটি ভিডিও দেখেছে। ২০০৬-এ গুগল ১৬ কোটি ৫০ লাখ ডলারে ইউটিউব কিনে নেয়। একটি সার্চ ইঞ্জিনের পক্ষে এমন বড় ধরনের বিনিয়োগ না উঠে আসাই ছিলো স্বাভাবিক। অসংখ্য দর্শক আর কন্টেন্ট থাকার পরও বিজ্ঞাপন এবং প্রিমিয়াম কন্টেন্ট থেকে টাকা কামাই করার মডেল হিসেবে কখনই দাঁড়াতে পারেনি ইউটিউব। আর ইউটিউবের বেশিরভাগ ভিডিওর মানও খারাপ। তাই ব্যবসা জমেনি। তবে, গুগল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য হচ্ছে, ইউটিউব ভিডিওগুলোকে অর্থের মানদণ্ডে মাপা মোটেই ঠিক হবে না। ফোর্বসের এক গণনায় দেখা যায়, ২০০৮-এ সাইটটির থেকে আয় ছিলো ২০ কোটি ডলার। সম্প্রতি ক্রেডিট সুইসির এক হিসেবে দেখানো হয় সাইটটি চালাবার জন্য কেবল তথ্য মজুদ আর ব্যান্ডউইথ খাতেই এবছর ইউটিউবের খরচ হবে ৪৭ কোটি ডলার। হিসেবে দেখা গেছে, স্রেফ খরচ তুলতেই ইউটিউবকে আরও তিনগুণ বেশি আয় করতে হবে। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদন অনুসারে, জনপ্রিয়তা স্বত্বেও ইউটিউবকে লাভের মুখ দেখতে এখনো অনেক লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। আর এ ব্যর্থতাতে মুখ থুবড়ে ‘লুজার’ তালিকায় ইউটিউবের নামটিও যোগ হয়েছে।

সিরিয়াস এক্সএম
সিরিয়াস এক্সএম (এসআইআরআই) খুব চমৎকার একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস। স্যাটেলাইট রেডিও হিসেবে এতে একশোরও বেশি রেডিও স্টেশন শোনা যায়। এ ছাড়াও এর পোর্টেবল সংস্করণও বের হয়েছে। শুরুর দিকে সিরিয়াস এক্সএম নিয়ে কোন ব্যবসায়িক চিন্তা ছিলো না এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের। সিরিয়াস এক্সএম এবং এক্সএম স্যাটেলাইট রেডিও নামের দুটি কোম্পানি এক হয়ে ২০০১-এ এই সেবা প্রদানের কাজ শুরু করে। বছরের শেষ নাগাদ এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ২৮ হাজারে। ২০০২ সালে এই সংখ্যা দাঁড়ায় সাড়ে তিন লাখ এবং পরের বছর ৬০ লাখ। তবে, গ্রাহক বাড়লেও সিরিয়াস এক্সএমের বাজারজাত, বিপণন, ব্যবস্থাপনাসহ অন্যান্য ব্যায়ের কারণে কোম্পানিটি শত কোটি টাকার ঋণের বোঝা বাড়ছিলো। আশা ছিলো একদিন লাভের মুখ দেখবে এটি। তবে যতো এটি দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছে তত দ্রুতই ধ্বস। অ্যাপলের তৈরি আইপড আর স্মার্টফোনের জনপ্রিয়তাই সিরিয়াস এক্সএমকে লুজার তালিকায় স্থান করে নিতে অনেকটাই বাধ্য করেছে।

মাইক্রোসফট জুন
মাইক্রোসফটের আরো একটি পণ্য ব্যর্থতার তালিকায় রয়েছে। সেটি জুন প্লেয়ার। মাইক্রোসফট জুন বাজারে আসে ২০০৬ এর নভেম্বরে। অ্যাপলের আইপডের সঙ্গে প্রতিযোগিতার দৌড়ে নামতেই বাজারে এসেছিলো জুন প্লেয়ার। কিন্তু জুন চরম ব্যর্থ হয়। জুন বাজারে আসার সময় সারা বিশ্বে অ্যাপল দশ কোটি আইপড বিক্রি করে। আইপড বাজার দখল করতে এসে, অনেক বাজেটের জুন লুজার হয়েই মুখ লুকিয়েছে।

পাম
সঙ্গে রাখার মত হার্ডওয়ার ডিভাইস ও ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেম মিলিয়ে তৈরি হয়েছিল পাম (পিএএলএম)। এটিই পামের স্মার্টফোন। পারসোনাল অরগানাইজার হিসেবেও একটি হার্ডওয়ার ডিভাইস ১৯৯৯ সালে বাজারে ছাড়ে পাম। এ ডিভাইসটির নাম পাম ভি। হ্যান্ডস্পিং এর বানানো পাম ট্রায়ো স্মার্টফোনটির স্বত্বও কিনে নেয় পাম। ২০০৫ এ প্রচুর পাম মোবাইল বিক্রি হয়। স্মার্টফোনের বাজার বলতে কেবল তখন পামই ছিলো। তবে, এর পরপরই পামকে প্রতিযোগতায় নামতে হয় অ্যাপল এবং ব্ল্যাকবেরির সঙ্গে। বিশ্লেষকরা বলেন, একই ডিভাইসের মধ্যে তারের জটিলতা এবং তথ্য রাখার বিষয়টি বুঝতে দেরি করে ফেলে পাম। এ সুযোগটি নিয়ে নেয় অ্যাপল। আর এই দেরিই শেষপর্যন্ত তাদের জন্য কাল হয়ে দাড়ায়। এ ব্যর্থতা মেনে নিয়ে এরপর নতুন আর কোন ডিভাইস নিয়ে বাজারে আসেনি পাম।

ইরিডিয়াম
মটোরোলা সমর্থিত গ্লোবাল স্যাটেলাইট ফোন কোম্পানি ইরিডিয়াম ১৯৯৯ সালে দেউলিয়া হয়ে যায়। কিন্তু তার আগে কোম্পানিটি বিশ্বব্যাপী ওয়্যারলেস ফোন সেবা দেবার জন্য উপগ্রহ অবকাঠামো সহ অন্যান্য খাতে ৫ লক্ষ কোটি ডলার খরচ করে। সে সময় আমেরিকায় সবচেয়ে বড় দেউলিয়া ঘোষণার তালিকায় এটি ছিল ২০তম ঘটনা। ঠিকঠাক কাজ চালাবার জন্য তাদের দরকার ছিল ৬৬ টি উপগ্রহের। এমন বড় ধরনের উপগ্রহ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে গিয়ে কোম্পানিটি এক কোটি ৫০ লক্ষ ডলার ঋণের বোঝার মুখোমুখি হয়। কিন্তু মাঠে নেমে মাত্র দশ হাজার ক্রেতা পাওয়ার পর তাদের পুরোপুরি হতাশ হতে হয়। এর বড় আরেকটা কারণ ছিলো তাদের প্রথম হ্যান্ডসেটের কারিগরি ত্রুটি। ১৯৯৮ সালে ডার্টমাউথ বিজনেস স্কুলের এক গবেষণায় ভবিষ্যতবাণী ছিল, সে বছর ইরিডিয়ামের গ্রাহকের সংখ্যা ৫ লাখে পৌঁছাবে। কিন্তু অবকাঠামোর বেশিরভাগ উন্নত বিশ্বের বাইরে হওয়ায় কোম্পানিটি সেবার মূল্য বাড়াতে বাধ্য হয়। এই বিচারে ইরিডিয়াম সেটের দাম ৩’শ ডলার এবং টক টাইম মিনিটে ৫ ডলার ধার্য করা হয়। সেলুলার সেবা বেশিদূর পর্যন্ত না থাকায় এবং খরচ বেশি হওয়া ও কারিগরি ত্রুটির কারণে তাদের এই সেবা কার্যক্রম জনপ্রিয়তা হারায়। ব্যবহারের সময় ফোনের এন্টেনা স্যাটেলাইট বরাবর হতে হয় বলে বাড়ি ও গাড়ির ভেতরে অবস্থানের সময় এবং অনেক শহর এলাকায় লোকজন এই ফোন ব্যবহার করতে গিয়ে বিপাকে পড়ে।

সেগওয়ে
দু’চাকার ব্যক্তিগত যান সেগওয়ে ২০০২ সালে বাজারে আসে। সে সময় সেগওয়ে প্রধান বলেছিলেন, এটি একই সঙ্গে ঘোড়া এবং গাড়ির কাজ করবে। কিন্তু সেগওয়ের ঘোড়া-গাড়ি হয়ে ওঠা হয়নি, এটি মোটেও জনপ্রিয়তা পায়নি। এদিকে এ গাড়িটি তৈরি করতে সেগওয়ে প্রায় দশ কোটি ডলারের মত খরচ করে। কিন্তু তৈরির পেছনে এতো অর্থ ঢালার কারণেই বেকায়দায় পড়ে সেগওয়ে। গাড়িটি বিক্রির জন্য দাম হাঁকা হয় বেশি, যা ক্রেতার সাধ্যের নাগালের বাইরে ছিলো। পাশাপাশি এ গাড়িটি অনেক দেশে নিষিদ্ধ করা হয়। রাস্তায় সেগওয়ে চালাতে হলে অন্যান্য গাড়ির মতো লাইসেন্স নিতে হতো। এতো ঝক্কি-ঝামেলায় জনপ্রিয়তা তো দূরের কথা সেগওয়েকে আড়ালেই চলে যেতে হয়।

ব্যর্থতার বেড়াজালে বন্দী এমন প্রযুক্তি নানাভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টাও করেছে। তবে, সফল হয়নি। চলতি দশকে হয়তো আবারও অন্য কোনো প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে এই তালিকায় থাকা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। এরপরে হয়তো এদের সফলতার কথাই তুলে আনবে মেইনবোর্ড।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Thursday, July 21, 2011

ওয়্যারলেস ইলেকট্রিসিটি, দিন বদলের প্রযুক্তি নিয়ে আসছে অ্যাপল!

প্রযুক্তিটি নতুন নয়। একটি ম্যাগনেটিক ফিল্ডের মধ্যে থেকে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ইলেক্ট্রিসিটি আদান প্রদান করার পদ্ধতি অনেক আগেই আবিষ্কৃত হয়েছে।
intelwirelesselectricity ওয়্যারলেস ইলেকট্রিসিটি, দিন বদলের প্রযুক্তি নিয়ে আসছে অ্যাপল!
২০০৭ সালে WiTricity নামের একটি কম্পানি (MIT এর কয়েকজন বিজ্ঞানীদের সমন্বয়ে গঠিত) এই ওয়্যারলেস ইলেক্ট্রিসিটি পরিবহনের ব্যাপারটির বানিজ্যিকিকরন এবং এর উন্নয়নের দিকে মনোযোগ দেয়।তারা দেখান, দুইটি ডিভাইসের সমন্বয়ের গঠিত একটি সমন্বিত ম্যাগনেটিক ফিল্ডের সাহায্যে এক ডিভাইস থেকে আরেক ডিভাইসে ইলেক্ট্রিসিটি কাছাকাছি দূরও থেকে আদান প্রদান করা যায়। ২০০৯ সালে TED (Technology Entertainment and Design) কনফারেন্সে WiTricity এর CEO প্রযুক্তিটির মাধ্যমে একটি মোবাইল ফোন চার্জ করে দেখান। অ্যাপল এবং টয়োটা এতে উৎসাহ দেখায় এবং তারা এই কম্পানিতে ইনভেস্ট করে।
wirtricity ওয়্যারলেস ইলেকট্রিসিটি, দিন বদলের প্রযুক্তি নিয়ে আসছে অ্যাপল!
অ্যাপল জানায় খুব শিঘ্রই (২০১২ সাল) নতুন আইফোন নতুন ধরনের চার্জ ব্যবস্থা থাকবে। যেকোন অ্যাপল ল্যাপটপ এর আশে পাশে এক মিটার দূরত্বে রাখা আইফোন বা আই প্যাড কোন রকম তার সংযোগ ছাড়াই ল্যাপ্টপ থেকে নিজেদের চার্জ করে নিতে পারবে। এ বছরেই অ্যাপল তাদের এই প্রযুক্তিটির পেটেন্ট করিয়ে নিয়েছে। অন্যদিকে টয়োটাও উইট্রিসিটি কে বলেছে তাদের জন্য অটোমোটিভ ওয়্যারলেস চার্জের ব্যাবস্থা করে দিতে। ইন্টেল সম্পূর্ন আলাদাভাবে নিজেদের ল্যাবে একটি কম্পিউটারকে সম্পূর্নরূপে তারমুক্ত করার প্রোজেক্ট হাতে নিয়েছে!
চলুন দেখি এর সুবিধাগুলো কি কি---
প্রথমত সবচেয়ে বড় সুবিধা হল তারের জঞ্জাল থেকে মুক্ত হওয়া। যেহেতু তারের ব্যাপার নেই সেহেতু শর্ট সার্কিট হওয়া বা ইলেকট্রিক শক খাওয়ারো কোন সম্ভাবনা নেই! তাই অনেক বেশি নিরাপদ। একটি সেটআপের মাধ্যমে একটি ঘরের সকল ইলেক্ট্রিক ডিভাইসের পাওয়ার সাপ্লাই দেয়া সম্ভব কোন রকম সকেট, প্লাগ, তারের ঝামেলা ছাড়াই। তবে এই প্রযুক্তির এখন পর্যন্ত সীমাবদ্ধতাগুলো হচ্ছে এটি খুব বেশী দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে না, আশেপাশের এক বা দুই মিটার পর্যন্ত এটি কাজ করতে পারে।
কল্পবিজ্ঞানের যুগ মনে হয় এসেই গেল!

Friday, July 15, 2011

Through the Astronaut's Eyes

Through the Astronaut's Eyes

Astronaut Ron Garan took this image during the spacewalk conducted on Tues., July 12, 2011. It shows the International Space Station with Space Shuttle Atlantis docked on the right and a Russian Soyuz on the far left. In the foreground is the Alpha Magnetic Spectrometer (AMS) experiment installed during the STS-134 mission. AMS is a state-of-the-art particle physics detector designed to use the unique environment of space to advance knowledge of the universe and lead to the understanding of the universe's origin by searching for antimatter and dark matter, and measuring cosmic rays.

Image Credit: NASA

মুহুর্তেই রং পাল্টাবে সানগ্লাস

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা মুহুর্তেই রং পাল্টাতে পারে এমন সানগ্লাস তৈরি করেছেন। গবেষকদের দাবি- নতুন এই সানগ্লাস বর্তমানের প্রযুক্তি-ফ্যাশনে ব্যবহৃত হবে। খবর ইয়াহু অনলাইন-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, সানগ্লাসের রং দ্রুত পরিবর্তন হয় এমন পদ্ধতিটি উদ্ভাবক ইউনিভার্সিটি অফ কানেকটিকাট-এর গবেষকরা।

গবেষকরা জানিয়েছে, এ পদ্ধতিটি রং পরিবর্তনকারী ফিল্ম এবং ডিসপ্লেতেও ব্যবহার করা যাবে। এমনকি যেখানে দ্রুত আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটে সেখানেও এটি কাজে লাগবে। 

জানা গেছে, এ পদ্ধতিতে যে লেন্সটি তৈরি করা হচ্ছে সেটি তৈরি করতেও খরচ অনেক কম।  এটি ফটোক্রোমিক ফিল্ম বা ট্রানজিশন লেন্স। মূলত এটি একটি পলিমারের আবরণ যাতে আলো পড়লেই রং পরিবর্তিত হয়।

গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে মেটিরিয়ালস কেমিস্ট্রি সাময়িকীতে।





বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/

Wednesday, July 13, 2011

উপমহাদেশের প্রথম সুপারনোভার খোঁজ মিলেছে কাশ্মীরে

সম্প্রতি ভারতীয় গবেষকরা দাবি করেছেন, উপমহাদেশের প্রথম সুপারনোভার খোঁজ মিলেছে কাশ্মীরে। শ্রীনগরের মাদানি মসজিদের দেয়ালচিত্র বা মুর‌্যাল থেকেই উপমহাদেশের সুপারনোভা দেখার প্রথম নিশ্চিত রেকর্ড পেয়ে গেছেন তারা। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়া-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ভারতের হোমি ভবা সেন্টার ফর সায়েন্স এডুকেশন (এইচবিসিএসই), টাটা ইনস্টিটিউট অফ ফান্ডামেন্টাল রিসার্চ (টিআইএফআর) এবং ইউনিভার্সিটি অফ কাশ্মীর-এর গবেষকরা শ্রীনগরের মাদানি মসজিদের দরজায় আঁকা মুর‌্যালে সুপারনোভার রেকর্ড পেয়েছেন। 

মুর‌্যালে দেখা গেছে, ড্রাগনের মাথার মতো দেখতে সুপারনোভাটি। আর এটি স্যাজিটেরাস নক্ষত্রপুঞ্জের দিকটিই নির্দেশ করে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, দীর্ঘসময়ের ব্যবধানে আসল মুর‌্যালটি ধ্বংস হয়ে গেলেও এটির বর্ণনা এখনও ইউনিভার্সিটি অফ কাশ্মীরের সেন্ট্রাল এশিয়ান স্টাডিজ ডিপার্টমেন্টে পাওয়া যায়।

গবেষকরা আরো জানিয়েছেন, সংস্কৃতসহ অনেক তথ্য ঘেঁটেও এতোদিন উপমহাদেশে সুপারনোভার কোনো রেকর্ড পাওয়া যায়নি।

গবেষণার ফল বলছে, ১৬০৪ সালে স্যাজিটেরাস নক্ষত্রপুঞ্জে এরকম সুপারনোভার সৃষ্টি হয়েছিলো। আর শ্রীনগরের মাদানি মসজিদটি তৈরি হয়েছিলো তারও দেড়শ বছর আগে মুঘল আমলে। তবে সুপারনোভার এই ঘটনাটির মুর‌্যাল তৈরিতে গ্লেজ দেওয়া টাইলস ব্যবহার করা হয়েছিলো যাতে সুপারনোভার সময়টাকে ধরে রাখা যায়।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, মুঘল সম্রাট শাহজাহান যখন ছোটো ছিলেন তখন এই সুপারনোভা প্রত্যক্ষ করেছিলেন। আর মাদানি মসজিদটি তারই তৈরি। গবেষকদের মতে, সম্রাট শাহজাহানই হয়তো এ মুর‌্যাল মসজিদটিতে যোগ করেছিলেন।

উল্লেখ্য, সুপারনোভা এক ধরনের নাক্ষত্রিক বিস্ফোরণ। এই বিস্ফোরণের ফলে তৈরি হওয়া আলোর উজ্জ্বলতা একটি সম্পূর্ণ গ্যালাক্সির উজ্জ্বলতাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। বিস্ফোরণে নক্ষত্র অভ্যন্তরে নিউক্লিয়ার ফিউশান বিক্রিয়া চলতে থাকে। বিক্রিয়ার ফলে সাদা বামন নক্ষত্র উত্তপ্ত হয়ে প্রসারিত হতে চেষ্টা করে। অন্যদিকে নক্ষত্রগুলোর নিজস্ব মহাকর্ষ বল এদের বহির্ভাগকে টেনে কেন্দ্রের দিকে নেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু নক্ষত্রের ভেতরে নিউক্লিয়ার ফিউশন চলার মতো আর কোন জ্বালানি থাকে না তখন এটি প্রচণ্ড বেগে নিজের মহাকর্ষের টানে চুপষে যেতে থাকে ফলে প্রচণ্ড বিস্ফোরণের মাধ্যমে এর বহিরাবরণের পদার্থগুলোকে বের করে দেয়। এ বিস্ফোরণই হলো সুপারনোভা।





বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Monday, July 11, 2011

চলার অনুমতি পেলো উড়ুক্কু গাড়ি

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারোস্পেস কোম্পানি টেরাগুফিয়া সম্প্রতি তাদের উড়ুক্কু গাড়ির জন্য ‘রোড পারমিট’ জোগাড় করে ফেলেছে। টেরাগুফিয়ার উড়ুক্কু গাড়ি ‘ট্রানজিশন’ আগামী বছরই তৈরির প্রক্রিয়ায় যাচ্ছে। তবে, আগেভাগেই রাস্তায় চলার অনুমতি জোগাড় করে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি। খবর হাফিংটন পোস্ট-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হাইওয়ে ট্রাফিক সেফটি অ্যাডমিনস্ট্রেশন (এনএইচটিএসএ) টেরাগুফিয়ার ট্রানজিশন-এর জন্য হাইওয়ে এবং স্থানীয় এয়ারপোর্ট ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।

জানা গেছে, রাস্তায় চলার অনুমতি পাওয়ার ফলে উড়ুক্কু গাড়ি ট্রানজিশন এখন যেকোনো রাস্তায় চলতে পারবে এবং প্রয়োজন হলে উড়ে গিয়ে যেকোনো স্থানীয় এয়ারপোর্টে ল্যান্ডও করতে পারবে।

জানা গেছে, ট্রানজিশন নামের এই উড়ুক্কু গাড়িটি তৈরির জন্য কয়েক রকমের নকশা নিয়ে কাজ করছেন টেরাগুফিয়া-এর প্রকৌশলীরা।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ট্রানজিশন গাড়িটি ২ জনকে নিয়ে আকাশপথ এবং হাইওয়েতে চলতে পারবে।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে উড়ুক্কু গাড়িটি প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে রাস্তায় নেমেছিলো।


বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/এমএইচ/এইচআর/জুলাই ১০/১
 
Design by Free WordPress Themes | Bloggerized by Lasantha - Premium Blogger Themes | Best Web Hosting